কক্সবাজারের দরিয়ানগরে কিংবদন্তীর গুহা ও ঝর্ণা দর্শন

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
31

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে এগিয়ে যাচ্ছি। কলাতলীর দিকে ভয়াবহ ভাঙা রাস্তা ছিল। অটোয় বসে ঝাঁকিতে দুয়েকটা হাড় এদিক ওদিক হয়ে যাওয়াও ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু কয়েক কিলোমিটার সামনে যেতেই পাওয়া গেল মসৃণ সড়ক। এই সড়কের একপাশে বিশাল বঙ্গোপসাগর, অন্যপাশে উঁচু পাহাড়। শহর থেকে আট কিলোমিটারের মতো এগিয়ে যাওয়ার পর নজরে পড়লো সবুজ-শ্যামলে ভরা একটি গ্রাম। নাম বড়ছড়া। এই বড়ছড়া গ্রামের উঁচু-নিচু ৩৭ একরের বিশাল পাহাড় নিয়ে গড়ে উঠেছে পর্যটনদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র ‘দরিয়ানগর’।

হাঙ্গর মুখ প্রবেশদ্বার।  সোর্স: লেখিকা

দরিয়ানগর এলে প্রথমই চোখে পড়বে, একটা বিশাল নীল হাঙ্গর প্রকাণ্ড হা করে রেখেছে। দরিয়ানগর এলে এই হাঙ্গরের পেটে ঢুকতেই হবে। কী, চমকে গেলেন? ভাবছেন, বেড়াতে গিয়ে হাঙ্গরের পেটে কেন যাবেন? ভয় পাবেন না। এই হাঙ্গর মোটেও জীবিত নয়, ইট সিমেন্টের হাঙ্গর। হাঙ্গরের মুখটা হলো প্রবেশদ্বার।

সিঁড়িতে ঝরা পাতার আলপনা। সোর্স: সাঈম

নীল হাঙ্গরের মুখ দিয়ে ঢুকে, ওর পেটে পেরিয়ে লেজের অংশ দিয়ে বেরিয়ে গেলাম। সোজা হাঁটতে শুরু করেছি। একটু সামনে গিয়েই পেলাম লম্বা একসারি সিঁড়ি। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে সমতল পাহাড়ে বসার জায়গা আছে। বাংলো মতো একটা বাড়ি আছে। ওখানে রকমারি ফুলের গাছ লাগানো। সবচেয়ে অবাক লেগেছে যেটা, তা হলো হলদে-কমলা রঙের জবা গাছ দেখে। অবাক লাগছে না? জবা আবার হলদে-কমলা হয় নাকি! আমিও অবাক হয়েছিলাম। পুরো গাছ ফুলে ফুলে ভরে রয়েছে। এখানে মাঝেমধ্যেই এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিতে হয়।

পারাপার। সোর্স: সাঈম

এখান থেকে নিচে নেমে দরিয়ানগরের পার্ক ধরণের জায়গাটায় গেলাম। ওখানে বাচ্চাদের জন্য দোলায়মান নৌকা, দোলনা, স্লাইড আছে। আর আছে চমৎকার কিছু ভাস্কর্য। অবাক হয়ে ভাবছিলাম, এটুকুই দরিয়ানগরের বৈশিষ্ট্য? তখন ওখানকার কটেজে বসে থাকা একজন বললেন, ‘ঐদিকে গুহা আছে।’ হাত তুলে গুহায় যাবার রাস্তা দেখিয়ে দিলো। সেদিকে পা বাড়ালাম। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই একটু উঁচু জায়গায় একটা ছাউনি দেখতে পেলাম। ছাউনির দুই ধারে দুটো রাস্তা। একপাশে সাইনবোর্ডে তীর চিহ্ন দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাম দিকটায় গুহা। গুহার পথ ধরে এগিয়ে যেতেই রাস্তার ধারে সরু পানির স্রোত নজরে এলো। এই স্রোত এলো কোত্থেকে? একটু সামনে এগিয়ে একটা কাঠের সেতু পেরুলাম। এসময়ে পানি পড়ার শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। বুঝতে পারলাম, কাছেই ঝরনা আছে। বান্দরবান গিয়েই ঝরনার শুব্দ মুখস্থ হয়ে গেছে। সেই লোকটা গুহার কথা বললেও কোনো ঝর্ণার কথা তো বলেনি! কাঠের সেতু পর আবার দুদিকে দুটো পথ নেমে গেছে। প্রথমে ডান পাশেরটায় নামতে শুরু করলাম। হাজার বছরের পুরোনো শিলার গা ছুঁয়ে অঝোর ধারায় ঝর্ণার শীতল পানি পড়ছে। এখান থেকে বেরিয়ে লম্বা শিডিউল না থাকলে নিশ্চিত ভিজতাম ঝর্ণার পানিতে। তবে পা ভেজাতে ভুলিনি।

ঝর্ণার প্রবেশদ্বার। সোর্স: লেখিকা

এবার বায়ের পথ ধরে নিচে নিচে নেমে গেলাম । উঁচু পাহাড়ের নিচে আগের পথটায় তো ঝর্ণা ছিল, এটাই সম্ভবত গুহা। বায়ের পথ মোটেও সাধারণ নয়। কিছুক্ষণ পর পর বাঁক। হাঁটার পথে কখনো পানি, কখনো পাথর। হাঁটতে হাঁটতে ভাবছিলাম, যাচ্ছিটা কোথায়? প্রায় আধ কিলোমিটার লম্বা আঁকাবাঁকা একটি সুড়ঙ্গ পথ পেরিয়ে শেষ মাথায় গিয়ে দেখি, এখানেও একটি ঝরণা অঝোর ধারায় ঝরছে। আসলে গুহা বলা হলেও এটা একটি ঝিরিপথ। কক্সবাজারে সমুদ্র দেখতে এসে যে ঝির্ণা আর গুহার দেখা পাবো, ভাবিইনি! এই গুহার নামকরণ করা হয়েছে, শাহেনশাহ গুহা।

ঝর্ণা।  সোর্স: লেখিকা

পাশাপাশি দুটো পথে যে ঝর্ণা ও ঝিরিপথ গুহা রয়েছে, এইদুটোর নামে এক কিংবদন্তি আছে।

শাহেনশাহ গুহার প্রবেশ মুখ। সোর্স: লেখিকা

সে অনেককাল আগের কথা। আরব দেশ থেকে তখন বণিক সওদাগররা জাহাজে করে বাণিজ্যে আসতেন পূর্বে। তখন বাংলাদেশ নামে কোন রাষ্ট্র ছিল না। ভারত হিসেবেও না। পূর্ব-পশ্চিম হিসেবে জানা হতো পুরো বিশ্বকে। আরব পশ্চিমের দেশ। সে হিসেবে সেখানকার ব্যবসায়ীরা তাদের রণতরী, বাণিজ্য তরী নিয়ে আসতেন পূর্বের বিভিন্ন দেশে। এসেছেন ইবনে বতুতাসহ অনেক পর্যটকও। সে রকমই একটি বাণিজ্য তরী নিয়ে বঙ্গোপসাগরে আসেন আরবের এক শাহেনশাহ। কিন্তু মাঝ নদীতে হঠাৎই ডুবতে বসে তার তরী। একে একে ডুবে যায় শাহেনশাহর তরীর সব মাঝি মাল্লা, সব পণ্য। অনেক কষ্টে সাঁতরে কূলে উঠতে সক্ষম হন শাহেনশাহ। কিন্তু নোনা জলে আর কতক্ষণ বাঁচা যায়। শুরু হলো মিষ্টি পানির সন্ধান। সাথে বেঁচে থাকার লড়াই। খুঁজতে খুঁজতে পেলেন এক গুহার সন্ধান। মিষ্টি পানি পেয়ে যেন প্রাণ ফিরে পেলেন শাহেনশাহ। কিন্তু সুখ যেন কপালে সইলো না। যেই মিষ্টি পানি পান করতে যাবেন অমনি হামলে পড়লো বন্য প্রাণির দল। তারপর এ পাহাড় থেকে ও পাহাড়ে লুকিয়ে দিন কাটে শাহেনশাহের। অবশেষে আশ্রয় নেন এক গুহায়। সেখানে এক ঠাণ্ডা হিমেল রাতে নেমে আসে হিম পরির। পূর্ণিমা রাতে শাহেনশাহর সঙ্গে দেখা হয় হিমপরির। শুরু হয় দুজনের প্রেম ভালোবাসা। পরি তাঁকে নিয়ে পূর্ণিমা রাতে চলে যান পরির দেশে। শাহেনশাহ যে গুহায় আশ্রয় নেন পরে সেই গুহারই নাম হয় শাহেনশাহ গুহা।

গুহা বলা হলেও এটা একটি ঝিরিপথ। সোর্স: লেখিকা

‘পরিমুড়া’, যাকে হিমছড়ি ঝরনা বলে, কক্সবাজারের মানুষের মুখে ফেরে এ পরির গল্প। বানেছা পরির কন্যা হিমপরি নাকি সখীদের নিয়ে সমুদ্রস্নান সেরে এ পাহাড়ে আড্ডা দিতেন। তাই হিমপরির নামে জায়গার নামকরণ ‘হিমছড়ি’।

প্রায় আধ কিলোমিটার লম্বা আঁকাবাঁকা একটি সুড়ঙ্গ পথ পেরিয়ে শেষ মাথায় গিয়ে দেখি, এখানেও পাহাড়ি পুরাতন শিলার দেয়ালের ওপাশে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে আরোও একটি ঝরণা। সোর্স: লেখিকা

গুহা ঘুরে ফেরার সময় দেখি ঝিরিপথের দুই ধারে লোকে প্লাস্টিক বজ্র ফেলে রেখেছে। একটা পলিথিন নিয়ে ওসব কুড়াতে শুরু করলাম। এমন সুন্দর একটা জায়গা, তাও নোংরা করে রেখেছে। ঠিক করলাম, আমার পক্ষে যতটুকু ময়লা কুড়ানো সম্ভব কুড়িয়ে নেব।

পাহাড় বাইছি তো বাইছিই। বসার জায়গাও আছে। সোর্স: লেখিকা

ফিরতি পথে পা বাড়ালাম। একদম প্রথমবার যেখানে রাস্তা দুদিকে চলে গিয়েছিল, সেখানে এসে ছাউনিতে এক মুহূর্ত বসলাম। আমি ছাড়া অন্য আর কেউ দ্বিতীয় রাস্তা ধরে যেতে চাইলো না। আমি বললাম, ‘দৌড়ে দেখে আসি, এই রাস্তায় কী আছে।’ আমি এগোতে শুরু করলাম। পাহাড় বাইছি তো বাইছিই। এই পথের কি শেষ নেই?

প্রায় ১০০ ফুট উঁচু পাহাড় চূড়ায় ছন আর কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ‘চেরাংঘর’। সোর্স: লেখিকা

এক জায়গায় গিয়ে দেখি সামনে আর কিছু নেই। গাছ পাতার আড়ালে সামনের সমুদ্র দেখা যায়। সামনে কিছু না থাকলেও পাশে পায়ে চলা পথ এগিয়ে গেছে। এতোটুকু পর্যন্ত যেহেতু এসেছি, ঠিক করলাম এর শেষ না দেখে যাব না। উঠে গেলাম। এবং চূড়ায় উঠে পশ্চিম দিকে তাকাতেই আমার মুখ হাঁ হয়ে গেল।

পাহাড় চূড়ায় দাঁড়িয়ে বঙ্গোপসাগরটাকে ঠিক শৈল্পিক কোনো চিত্রশিল্পীর ছবির মতো দেখাচ্ছিল। সোর্স: লেখিকা

গুহার ওপরে প্রায় ১০০ ফুট উঁচু পাহাড় চূড়ায় ছন আর কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ‘চেরাংঘর’ বা ‘আড্ডাখানা’। এই আড্ডাখানা দেখে অবাক হইনি। এখানে বসে সমুদ্র-দর্শন করে আমি স্তম্ভিত। পাহাড় চূড়ায় দাঁড়িয়ে বঙ্গোপসাগরটাকে ঠিক শৈল্পিক কোনো চিত্রশিল্পীর ছবির মতো দেখাচ্ছিল। এখানে দাঁড়িয়ে নজরে পড়লো গভীর সাগর থেকে মাছ ধরে ফেরা ট্রলারের সারি। সৈকতে সার বেঁধে রাখা হয়েছে। খালি চোখে এর মহিমা যতোটা সুন্দর, ক্যামেরায় ততোটা তোলা যায়নি।

গভীর সাগর থেকে মাছ ধরে ফেরা ট্রলারের সারি। সোর্স: লেখিকা

লোকে এই ‘চেরাংঘর’ বা ‘আড্ডাখানা’য় এসে এই অপূর্ব দৃশ্য দেখতে দেখতে আড্ডা মারে, আর খাবার খায়। তা খাক, আমার সমস্যা নেই। কিন্তু যাবার সময় সমস্ত চিপসের প্যাকেট, কোল্ড ড্রিংক্সের প্লাস্টিক বোতল ফেলে যায় চারধারে। দর্শনার্থীদের অসচেতনতা তো এরজন্য দায়ী বটেই। সাথে সাথে দরিয়া নগর পর্যটন কর্তৃপক্ষেরও এই দায় আছে। এতো বড় একটা জায়গা, অথচ কোথাও একটা ডাস্টবিন দেখিনি।

যাবার সময় সমস্ত চিপসের প্যাকেট, কোল্ড ড্রিংক্সের প্লাস্টিক বোতল ফেলে যায় চারধারে। সোর্স: লেখিকা

আমার কিছুক্ষণ পরেই চেরাংঘরে এসে পৌঁছেছে সায়েম আর নাদিয়া আপু। তিনজনে পাহাড়ের উপর থেকে সমুদ্র আর সৈকতের রূপ দেখে আমরা নেমে এলাম।

হলদে-কমলা রঙের জবা। সোর্স: লেখিকা

এই পাহাড়ের নিচে রাত যাপনের জন্য রয়েছে বাংলো বা রেস্টহাউস। বাংলোর সামনে সূর্যাস্ত দেখার জন্য রয়েছে ‘সানসেট ভিউ পার্ক’। পার্কের নিচে অর্থাৎ পাহাড়ের খাদে প্রাকৃতিক পরিবেশে তৈরি করা হয়েছে ১২টি কুঁড়ে। এখানে যে কেউ সপরিবারে রাত কাটাতে পারে। রয়েছে একটি রেস্তোরাঁও, যাতে পাওয়া যায় নানা পদের মাছ।

রাত যাপনের জন্য রয়েছে বাংলো বা রেস্টহাউস। সোর্স: লেখিকা

ফেরার সময় কর্তৃপক্ষকে ডাস্টবিনের ব্যাপারটা নিয়ে চড়া গলায় কথা শুনিয়ে এসেছি। বিভিন্ন জায়গা থেকে তুলে আনা হাতের ময়লাগুলো দেখিয়ে বললাম, ‘এগুলো ফেলবো কোথায়? ডাস্টবিন কই?’
ওখানেই রেখে দিতে বললো। তারা নাকি ডাস্টবিনে ফেলে দেবে। গজগজ করে ডাস্টবিনের কথা বলতে বলতে এদের ক্যান্টিনে গিয়ে ঢুকলাম। ওখানে আমাদের বাকি সদস্যরা রয়েছে। এদের সাথে বেরিয়ে পড়লাম।

ভাস্কর্য টি খুবই সুন্দর। সোর্স: লেখিকা

টিকিট মূল্য: ২০ টাকা।

সতর্কতা

কয়েক ঘণ্টার দরিয়ানগর পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণ।
পাহাড়ের নিচে শাহেনশাহ গুহায় প্রবেশের সময় একটু সতর্ক থাকতে হয়। পিচ্ছিল পাথরের ওপর দিয়ে হাঁটা-চলায় পা পিছলে পড়ে যেতে পারেন। বর্ষার সময় সাপের উপদ্রবও থাকে।
তবে গ্রীষ্ম ও শীতকালে গুহায় প্রবেশ নিরাপদ। গুহার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যেতে দুটো ঝরনা নজরে পড়বে। এসব ঝরনার ঠান্ডা জলে শরীরটা ভিজিয়ে নিতে পারেন। গুহার ওপরের দিকে তাকালে মনে হতে পারে, এই বুঝি পাহাড়ের খাড়া মাটি মাথার ওপর এসে পড়ছে।

ঝুলন্ত নৌকা। সোর্স: লেখিকা

কীভাবে যাবেন

দরিয়া নগর যেতে হলে আগে আসতে হবে কক্সবাজার শহরে। সড়ক ও আকাশপথে ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার আসা যায়। এ পথে গ্রিন লাইন, সৌদিয়া, সোহাগ, হানিফ, টিআর ইত্যাদি পরিবহন সংস্থার তাপনিয়ন্ত্রিত বিলাসবহুল বাস চলাচল করে। এছাড়া এস আলম, সৌদিয়া, শ্যামলী, ইউনিক, ঈগল, হানিফ, ইত্যাদি পরিবহনের নন-এসি বাসও চলে এ পথে। এছাড়া ঢাকা থেকে বাংলাদেশ বিমান, ইউনাইটেড এয়ার ও জিএমজি এয়ার ও রিজেন্ট এয়ারের বিমানে সরাসরি যেতে পারেন কক্সবাজার।

কাছিম আর ব্যাঙেরছাতা।  সোর্স: লেখিকা

কক্সবাজার শহর থেকে লোকাল বাসে দরিয়ানগরের ভাড়া ২০ টাকা। এছাড়া ব্যাটারি চালিত রিকশায় দরিয়ানগর যেতে ভাড়া লাগবে ৮০-১০০ টাকা।

কোথায় থাকবেন

কক্সবাজারে থাকার জন্য এখন প্রচুর হোটেল রয়েছে। ধরন অনুযায়ী এসব হোটেলের প্রতিদিনের কক্ষ ভাড়া ১০০০-২০০০০ টাকা।
আমরা থেকেছিলাম নীলিমা রিসোর্টে। সি ভিউ এই কটেজ রিসোর্টটি খুবই নান্দনিক। রিসোর্টে রুম বুকিং কিংবা অন্য যেকোনো তথ্যের প্রয়োজনে কল করতে পারেন এই নাম্বারে- 01831878833

জিরাফ। সোর্স: লেখিকা

এটা ছাড়াও আরোও কয়েকটি হোটেল-বৃত্তান্ত :

কক্সবাজারে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের রয়েছে হোটেল শৈবাল, ফোন :৬৩২৭৪। মোটেল উপল, ফোন :৬৪২৫৮। মোটেল প্রবাল, ফোন :৬৩২১১। মোটেল লাবণী, ফোন :৬৪৭০৩। পর্যটন কর্পোরেশনের ঢাকাস্থ হেড অফিস থেকেও এসব হোটেলের বুকিং দেওয়া যায়। যোগাযোগ :৮৩-৮৮, মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ফোন :৯৮৯৯২৮৮-৯১। এছাড়া অন্যান্য হোটেল হলো হোটেল সি গাল, (পাঁচ তারা), ফোন :৬২৪৮০-৯১, ঢাকা অফিস :৮৩২২৯৭৩-৬। হোটেল সায়মন, ফোন :৬৩২৩৫, ঢাকা অফিস :৮৬১৪৫৬৫। হোটেল সি কুইন, ফোন :৬৩৭৮৯, ৬৩৮৭৮। হোটেল সাগর গাঁও লি. ফোন :৬৩৪৪৫, ৬৩৪২৮। সুগন্ধা গেস্ট হাউস, ফোন :৬২৪৬৬। জিয়া গেস্ট ইন, ফোন :৬৩৯২৫। হোটেল সি হার্ট, ফোন :৬২২৯৮। হোটেল ডায়মন্ড পে­স অ্যান্ড গেস্ট হাউস, ফোন :৬৩৬৪২। গেস্ট কেয়ার লি. ফোন :৬৩৯৩০। হোটেল প্যানওয়া লি. ফোন :৬৪৪৩০। কক্সবাজারের এনডব্লিউডি কোড :০৩৪১।

ফিচার ইমেজ: মাদিহা

তথ্যসূত্র:
http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/korocha/2017/08/22/217902.html

http://archive.prothom-alo.com/detail/news/204700

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
31
Booking.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *